| নাম | বাংলা | অংক | ইংরেজী |
|---|---|---|---|
| তারিখ | ২০-১২-২০২৫ | ২০-১২-২০২৫ | ২০-১২-২০২৫ |
| পূর্ণমান | ৩০ | ৪০ | ৩০ |

প্রতিষ্ঠাতা
প্রচার সম্পাদক (প্রধান শিক্ষক) লিটল ফ্লাওয়ার কিন্ডারগার্টেন স্কুল
শিক্ষা সচিব (পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক) হাজী আমান উল্লাহ মডেল স্কুল
কোষাধ্যক্ষ (পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক) নিউনেস স্কুল
সাংগঠনিক সম্পাদক (প্রধান শিক্ষক) সানরাইজ আইডিয়াল স্কুল
যুগ্ন-মহাসচিব (পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক) আলফা একাডেমি
মহাসচিব (পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক) কে. এ. একাডেমি
সহ-সভাপতি (পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক) ক্যামব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল
সহ-সভাপতি
সভাপতি (পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক) হার্বাড একাডেমী
বর্তমানে শিক্ষা ব্যবস্থা সৃজনশীলতায় পরিপূর্ণ। তাই দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রতিযোগীতার যুগে প্রত্যেক অভিভাবক তার সন্তানকে মেধাবী এবং সু-নাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে আগ্রহী। কিন্তু বর্তমানে সামাজিক নৈতিক অবস্থায় পরিবশগত সমস্যা, গুনগতমানসম্মত শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভাবে অভিভাবকগণ আজ খুবই শংকিত। নতুন প্রজন্মের উজ্জল ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য শিক্ষার আলো জনগণের সন্নিকটে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে শিক্ষাঅনুরাগী সুধীবৃন্দের সমন্বয়ে ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে “কে. এ. একাডেমি”।
প্রত্যেক মানব সন্তান মেধা শক্তি নিয়েই জন্মগ্রহণ করে কিন্তু সেই মেধাকে বিকশিত করার অন্তরায় হচ্ছে ভুল শিক্ষা পদ্ধতি এবং ছাত্র, শিক্ষক ও অভিভাবকের সার্বিক সমন্বয় উদ্যোগের অভাব। শিশুর শিক্ষা হবে আনন্দময়, বিজ্ঞানসম্মত, সৃজনশীল ও প্রতিভামূখর।
সম্মানিত অভিভাবক, আপনি কি জানেন আপনার সন্তানের উজ্জল ভবিষ্যতের পথ চলা শুরু হয় আপনার হাত ধরেই। আপনার একটি ভূল সিদ্ধান্ত তাকে পথভ্রষ্ট করে দিতে পারে, তাই আপনার সন্তানের স্কুলে যাবার বয়স হয়ে তখন আপনাকেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একটি ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই পারে আপনার সন্তানের উজ্জল ভবিষ্যৎতের ভিত গড়ে তুলতে। ভাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বলতে বোঝায় যেখানে ভাল ফলাফলের সাথে সাথে তাকে ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা, যার জন্য প্রয়োজন পরিকল্পিত পাঠদান ও সুশৃঙ্খল জীবন গঠন। সে লক্ষ্যে কে. এ. একাডেমির পূর্ববর্তী ফলাফল বিশ্লেষণ পূর্বক পাঠদান পদ্ধতি পর্যবেক্ষন ও পাশ্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের সাথে তুলনামূলক পর্যালোচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্ব আপনার, আপনার সন্তানের নয়।
“বৃক্ষ তোমার নাম কি?
ফলে পরিচয়”
আমাদের বিগত বছরের ধারাবাহিক ফলাফলের সফলতাই আমাদের পরিচয় বহন করে। সন্তান আপনার, গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। এ লক্ষ্যে আপনার সন্তানের Basic Foundation গড়ে তোলার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। “আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী”
এসোসিয়েশন নিয়মিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ আয়োজন করে যাতে আধুনিক পাঠদান পদ্ধতি, শিশুবান্ধব শিক্ষণ কৌশল, শ্রেণিকক্ষ ব্যবস্থাপনা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে সদস্য স্কুলের শিক্ষকদের দক্ষ করে তোলা হয়।
সদস্য প্রতিষ্ঠানের জন্য統একটি সুনির্দিষ্ট একাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রদান করা হয়। বার্ষিক পরীক্ষা, ছুটি, কার্যক্রম ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সমন্বয় এনে সমান শিক্ষামান নিশ্চিত করা এসোসিয়েশনের অন্যতম দায়িত্ব।
শিশুদের মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতা জাগিয়ে তুলতে এসোসিয়েশন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, গল্প বলার আসর, চিত্রাঙ্কন, বাদ্যযন্ত্র শিক্ষা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
প্রতি বছর সদস্য স্কুলগুলোর শিক্ষার্থীদের নিয়ে স্বাস্থ্যকর ও আনন্দময় পরিবেশে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিশুদের শারীরিক সক্ষমতা, দলগত কাজ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়।
নিয়মিত সমন্বয় সভার মাধ্যমে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা, প্রয়োজন, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। একত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা হয়।
এসোসিয়েশন স্কুলগুলোতে শিশু নিরাপত্তা নীতি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্নতা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুষ্টি সচেতনতা ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন সচেতনমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করে।
শিশু লালন-পালন, মনস্তাত্ত্বিক বিকাশ, শিক্ষণ পদ্ধতি এবং অভিভাবকের ভূমিকা নিয়ে নিয়মিত সেমিনার আয়োজন করা হয়, যাতে পরিবার ও বিদ্যালয়ের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হয়।
এসোসিয়েশন স্কুলগুলোর জন্য নির্ধারিত নীতিমালা, নিয়ম, শিক্ষা মানদণ্ড, শিক্ষক যোগ্যতা এবং অবকাঠামো মান বজায় রাখতে নিয়মিত পরিদর্শন ও পরামর্শ প্রদান করে।
সালজুড়ে শিক্ষা কার্যক্রম পর্যালোচনা, সেরা স্কুল, সেরা শিক্ষক এবং সেরা শিক্ষার্থীকে সম্মাননা দিতে বার্ষিক শিক্ষা সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এটি শিক্ষাক্ষেত্রে উৎসাহ বৃদ্ধি করে।
জাতীয় দিবস, বই উৎসব এবং সমাজসেবামূলক কর্মসূচি যেমন—শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, বন্যাত্রদের সহয়তা, সচেতনতা র্যালি ইত্যাদি আয়োজনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করা হয়।